আধুনিক ৮ নং ওয়ার্ড গড়ার অঙ্গিকার করেন কাউন্সিল মোঃ আবুল কাশেম মোল্লা

আধুনিক ৮ নং ওয়ার্ড গড়ার অঙ্গিকার করেন কাউন্সিল মোঃ আবুল কাশেম মোল্লা

মোঃ আমিন হোসাইন,মিরপুর : রাজধানীর ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) আওতাভুক্ত রাজধানীর ব্যস্ততম এলাকা শাহ আলী থানাধীন ৮ নম্বর ওয়ার্ড, গুরুত্বপূর্ণ স্থান রয়েছে চিড়িয়াখানা, বোটানিক্যাল গার্ডেন, ও শাহ আলী মাজার। ৮ নং ওয়ার্ডের নির্বাচিত কাউন্সিলর মোঃ আবুল কাশেম মোল্লা পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক ওয়ার্ড গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

কাউন্সিলর এই প্রতিশ্রুতিকে চ্যালেঞ্জ হিসাবে নিয়ে জনসাধারণের জীবনমান উন্নয়ন ও জনদুর্ভোগ নিরসনের লক্ষ্যে সড়কের পাশে জমে থাকা অবাঞ্ছিত বর্জ্য আবর্জনার কারণে মশার বৃদ্ধি ও ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা দ্রুত অপসারণের লক্ষ্যে পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক ওয়ার্ড গড়তে বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নেমেছেন ।এরই ধারাবাহিকতায় ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযান ও চিড়িয়াখানার সামনে থেকে সনি সিনেমা হল পর্যন্ত সড়কটি পর্যবেক্ষণ করেন ও এলাকার জনসাধারণদের উদ্দেশ্যে করোনা, ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়াসহ সকল মহামারির ব্যাপারে সচেতনতা মূলক ও বিভিন্ন কর্মসূচি করেন তিনি।

জানা যায়, রাজধানীর ব্যস্ততম এলাকা মিরপুরজুড়ে ফুটপাতগুলো দখল করে বাণিজ্য, নৈরাজ্য, রাজনীতি বা হানাহানি নতুন ব্যাপার নয়। জনসাধারণের চলাচলের সুবিধায় রাজপথ থেকে গলিপথ ঘেঁষে ফুটপাতের জন্ম হলেও বেদখল কাণ্ডে জনগণের চলাচলের সুবিধা শিকেয় উঠেছিল। মহানগরবাসীর করের টাকায় ফুটপাতের জন্ম ঘটলেও এর মালিকানা কাগজে কলমে দুই সিটি কর্পোরেশনের। কিন্ত বাস্তবের চিত্রটি ভিন্ন। ফুটপাতের মালিক  প্রভাবশালীরা।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ফুটপাত দখলমুক্ত না থাকায় যানজটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানবাহনে বসে থেকে অসহনীয় ভোগান্তি পোহালেও কিছুই করার থাকে না তাদের। যদি ফুটপাতে হাঁটার পরিবেশ থাকত তাহলে যানজটও কম হতো। মানুষ গণপরিবহন ছেড়ে হেঁটে গন্তব্যে যেত। বর্তমানে কার্যত লকডাউনের কারনে রাজধানীর বেশিরভাগ ফুটপাতই ফাঁকা ছিল। তবে অস্থায়ীভাবে সরকার কর্তৃক লকডাউন প্রত্যাহারে ফের সেগুলো বেদখলের তালিকায় চলে যাচ্ছিল।

তারা আরো বলেন, মিরপুরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চিড়িয়াখানার ও বোটানিক্যাল গার্ডেনের পার্কিং, রোডের সনি সিনেমা হলের অদূরেই ঈদগাঁ মাঠ, মূল সড়কগুলিতে স্থানীয় সংসদ সদস্য আসলামুল হক একাধিকবার উদ্যোগ নিয়ে ফুটপাত উচ্ছেদ করলেও কয়েক মূহুর্ত পরেই আবার যে অবস্থা ছিল, সেই অবস্থাই হয়ে যায়। এ প্রসঙ্গে কাউন্সিলর আবুল কাশেম মোল্লা বলেন, মিরপুরের ফুটপাত ও চলাচলের পথকে জনসাধারণের ব্যবহার ও পথচারীদের জন্য অবশ্যই পরিচ্ছন্ন এবং উন্মুক্ত রাখতে হবে।

আমার দায়িত্বাধীন ৮ নম্বর ওয়ার্ডটিকে আমি একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ, পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলতে সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *